শয়তান বন্দ্বী, মনে আমাদের কুচিন্তা কেন?
আজ আমি আপনাদেরকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। হ্যাঁ অনেকের কাছে বিষয়টা হাসিতামাশার মত মনে হতে পারে তাই তাদেরকে আগেই বলে নেই, "ভাই আমার জ্ঞানের স্বল্পতা আছে। আপনি আমার থেকে জ্ঞানে বড় হলে আমাকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলুন, কিন্তু বাজে ভাষা প্রয়োগ করবেন না। ধন্যবাদ"
তো বলছিলাম। ইদানীং আমার অনেক ছোট ভাই বোন আমাকে বলে, "ভাইয়া আমি এই রমজান মাসে অনেক বাজে বাজে স্বপ্ন দেখি, তারপর রোজা থাকা অবস্থায় খারাপ খারাপ ধারণা আসে। আপনি যে বললেন, শয়তানকে আল্লাহ রমজান মাসে শিকল দিয়ে বেধে রাখেন তাহলে আমরা কেনো এই বাজে স্বপ্ন ও রোজা অবস্থায় খারাপ অনুভূতি পাই। *আচ্ছা পাঠকদের জ্ঞ্যার্থার্তে বলে রাখা ভালো তারা কিন্তু বাজে স্বপ্ন বলতে অশ্লীল ও খারাপ অনুভুতি বলতে Extreme Level এর খারাপ বুঝায় নাই।
আমি তাদেরকে যে কথাগুলো বললাম তা আপনাদের সাথেও শেয়ার করি।
আপনারা অনেকেই জানেন বিশ্বের নানান প্রান্তে শয়তান ও তার দলবল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগের যামানায় (যেমন: নমরুদ, ফেরাঊন, আদ, সামুদ, সাদ্দুম, ওমোরা, মাদাইন ইত্যাদি) শয়তান এত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ছিলো বা তার কাছে এতো অস্ত্র ছিলো না যে সে মানুষকে ধোকা দিতে পারবে। তারপরও মানুষ তার ডাকে সাড়া দিয়েছিল। এখনকার যুগ আপনারা জানেন, আমরা আখেরি যামানায় বাস করছি। যেখানে আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা:) বলেছেন, "আখেরি যামানায় ফেতনা থেকে বাচতে চাও তাহলে গহীন জঙ্গলে বসবাস করো" (কিতাবুল ফিতান) সেখানে আমরা দেখছি শয়তান খুব সুক্ষ্মভাবে মানুষদের ধোকা দিয়ে যাচ্ছে যেখানে অনেক পরহেজগার ভাই ও বোনেরা আজ মনে মনে বলে এত পাপ করেছি আল্লাহ সামনে মুখ দেখাবো কি করে? (নাউজুবিল্লা)। আল্লাহ বলেছেন, "হে আমার বান্দারা তোমারা আল্লাহ দয়া থেকে নিরাশ হইয়ো না" (সুরা যুমার)। তাই সকল মুমিন ভাই ও বোনদের ঈমান রক্ষা করার স্বার্থে আমার গবেষনা প্রকাশ করেছি।
দেখুন আমাদের অনেকেরই ইলুমিনাতি ও ফ্রিম্যাসন সম্পর্কে ধারনা আছে। এরা সবাই শয়তান পূজারি। শয়তানকে তারা খোদা হিসেবে মানে। তারা শয়তানকে আল্লাহ থেকেও শক্তিধর মনে করে (নাউজুবিল্লা)। শয়তানের কাছে আত্না বিক্রি করে তারা শয়তানকে মোটামোটি একটা শক্ত পর্যায় নিয়ে গেছে। যার ফলে শয়তান তার কাজগুলো খুব দক্ষতার সাথে করতে পারছে। এই যে আমাদের হাতে যত প্রযুক্তি দেখছেন এগুলো বেশিরভাগই শয়তানের বুদ্ধিতেই হয়েছে। কাব্বালায় জাদু চর্চাকারী সংগঠনে সে মানুষকে এগুলো আইডিয়া দিয়েছে যার ফল সরুপ বহু ইসলামী সাম্রাজ্য আজ ধব্বংস হয়ে গেছে আর খ্রিষ্টান ইহুদিদের খেলাফত কায়েম হয়েছে। আর আমাদের মত সহজ সরল মুসলিমদের ঈমান ধব্বংস করে আমাদের জাহান্নামে ঠেলে দিচ্ছে।
দেখুন শয়তানের কাছে এখন এমন সব প্রযুক্তি আছে যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। শয়তান ঐ প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে আমাদের মধ্যে ধোকায় ফেলে দিতে পারে। আর সত্যি কথা হলো শয়তানের বর্তমানে ৪টা দিক দিয়ে বেশ শক্তিশালী।
১. জ্ঞান
২. ধৈর্য্য
৩. ক্ষমতা
৪. অভিজ্ঞতা
আপনি যদি চিন্তা করেন আপনি কোরঅান, হাদিস ও বাস্তবতা জ্ঞান ছাড়া তার সাথে পারবেন, তাহলে আপনি নিশ্চিত ধব্বংস হয়ে যাবেন।
শয়তানের কাছে Virtual Reality এবং Artificial Intelligence আছে যার সাহায্যে সে মানব শরীরে আস্তে আস্তে বাজে সপ্ন ও খারাপ অনুভুতি ঢুকিয়ে দেয়।
Virtual Reality হচ্ছে কম্পিউটার ব্যবস্থায় যদি কোন বাস্তব বা কাল্পনিক পরিবেশকে আংশিক বা সম্পুর্ণরুপে কৃত্রিমভাবে সিমুলেট করে দেখানো হয় যা ব্যবহারকারীর বাস্তবের মত অনুভুতি প্রদান করে, তাকেই Virtual Reality বলে।
আমি আগেই বলেছি দুনিয়ার সব আধুনিক প্রযুক্তি তার জ্ঞান থেকেই প্রাপ্ত সুতরাং সে এইটা ব্যবহার করেই রমজান মাসে শিকলে বন্ধী থেকেও কাজ করে যাচ্ছে যার ফলে আমরা বাজে বাজে সপ্ন দেখছি। শয়তান তাই আগের পরিকল্পিত সপ্নগুলো Save করে রাখতে পারে এই প্রযুক্তির সাহায্যে। যাই হোক তাকে আমি বিশ্বাস করি না।
ওহ আরেকটা হাদিসের কথা মনে পড়লো। আমাদের নবী বলেছেন, "শেষ যামানায় মুমিনদের সপ্ন সত্য হবে" (বুখারী ও মুসলিম)
এবার আপনারাই মিলান Virtual Reality দিয়ে সে এমনভাবে ধোকা দিচ্ছে যে কোনটা আল্লাহ দেখালেন আর কোনটা শয়তান দেখালো (যদি এই প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা না থাকে) জীবনেও বুঝবেন না। মনে মনে ভাববেন ধুর কি না কি দেখলাম। কিন্তু আপনি শয়তানের ধোকায় পড়ে গেলেন। তাই Virtual Reality নিয়ে গবেষণা করুন প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
.
Artificial Intelligence হচ্ছে মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, যেভাব অপরের সাথে কথোপকথন করে, যেভাবে শিখতে পারে, যেভাবে কথা শুনে বুঝতে পারে, যেভাবে অন্য কোন মানুষ বা বস্তুকে চিনতে পারে ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যসমুহকে আংশিক বা পুর্ণরুপ সিমলিট করাকে Artificial Intelligence বলে।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা শব্দের দিকে খেয়াল করুন। এই সবগুলো কাজ শয়তান এখন কত দক্ষতার সাথে পারে। আপনি আপনার জীবনের যেকোন কাজ করবেন শয়তান বাধা দিবে। আপনি তাওবা করবেন সে বলবে কোন মুখে আল্লাহ কাছে চাও? ইত্যাদি ইত্যাদি (নাউজুবিল্লা)।
তাই আমি বার বার বলি কোরঅান হাদিসের পাশাপাশি লেখাপড়া ও বাস্তব জ্ঞান লাগবেই। শয়তানকে পরাজিত করতে হলে নিজেকে আগে তার থেকে দূরে রাখতে হবে। বর্তমান যুগে আমরা ৫০০ বছর গবেষণা করেও আমেরিকা ইউরোপ অষ্ট্রেলিয়ার মত হতে পারবো না। এইটাই বাস্তবতা। তবে মুসলিম হিসেবে আমি বলবো দয়া করে লেখাপড়ার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জন করুন কোরঅান হাদিস হাতে নিয়ে। না হলে পাপে ডুবে থেকে শেষ পর্যন্ত জাহান্নামীদের কাতারে চলে যাবেন। তাই এখনও বলছি অবৈধ সম্পর্ক ও পাপ কাজ ছেড়ে দিন। আল্লাহ ছাড়া কাউকে গুরুত্ব দিবেন না। সবসময় আল্লাহ উপর ভরসা রাখুন। পাপ করে ফেলেছেন আল্লাহ কাছে তাওবা করুন। শয়তান বাধা দিতে আসলে বলবেন, "তুই আগে আমার আব্বা আদমকে সেজদা দে, তারপর আমার আছে মুখ দেখাতে আসিস, আমি আল্লাহ কাছে এই মুখ নিয়াই তাওবা করবো। তাই তুই যা আমার আব্বা আদাম কে সেজদা করে আয়" এই কথা বলবেন ইনশাল্লাহ সে আর আপনাকে কিছু বলতে সাহস পাবে না কারন মাঝে মাঝে কাটা দিয়েই কাটা তুলতে হয়। আর আরেকটা দোয়া তো সবসময় আছে, "আউযুবিল্লা হিমি নাশাইতানির রাজিম" বার বার পড়বেন।
যাই হোক এই দীর্ঘ আলোচনায় ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর নিজের পরিবারবর্গ, আত্নীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের সচেতন করবেন।
তো বলছিলাম। ইদানীং আমার অনেক ছোট ভাই বোন আমাকে বলে, "ভাইয়া আমি এই রমজান মাসে অনেক বাজে বাজে স্বপ্ন দেখি, তারপর রোজা থাকা অবস্থায় খারাপ খারাপ ধারণা আসে। আপনি যে বললেন, শয়তানকে আল্লাহ রমজান মাসে শিকল দিয়ে বেধে রাখেন তাহলে আমরা কেনো এই বাজে স্বপ্ন ও রোজা অবস্থায় খারাপ অনুভূতি পাই। *আচ্ছা পাঠকদের জ্ঞ্যার্থার্তে বলে রাখা ভালো তারা কিন্তু বাজে স্বপ্ন বলতে অশ্লীল ও খারাপ অনুভুতি বলতে Extreme Level এর খারাপ বুঝায় নাই।
আমি তাদেরকে যে কথাগুলো বললাম তা আপনাদের সাথেও শেয়ার করি।
আপনারা অনেকেই জানেন বিশ্বের নানান প্রান্তে শয়তান ও তার দলবল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগের যামানায় (যেমন: নমরুদ, ফেরাঊন, আদ, সামুদ, সাদ্দুম, ওমোরা, মাদাইন ইত্যাদি) শয়তান এত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ছিলো বা তার কাছে এতো অস্ত্র ছিলো না যে সে মানুষকে ধোকা দিতে পারবে। তারপরও মানুষ তার ডাকে সাড়া দিয়েছিল। এখনকার যুগ আপনারা জানেন, আমরা আখেরি যামানায় বাস করছি। যেখানে আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা:) বলেছেন, "আখেরি যামানায় ফেতনা থেকে বাচতে চাও তাহলে গহীন জঙ্গলে বসবাস করো" (কিতাবুল ফিতান) সেখানে আমরা দেখছি শয়তান খুব সুক্ষ্মভাবে মানুষদের ধোকা দিয়ে যাচ্ছে যেখানে অনেক পরহেজগার ভাই ও বোনেরা আজ মনে মনে বলে এত পাপ করেছি আল্লাহ সামনে মুখ দেখাবো কি করে? (নাউজুবিল্লা)। আল্লাহ বলেছেন, "হে আমার বান্দারা তোমারা আল্লাহ দয়া থেকে নিরাশ হইয়ো না" (সুরা যুমার)। তাই সকল মুমিন ভাই ও বোনদের ঈমান রক্ষা করার স্বার্থে আমার গবেষনা প্রকাশ করেছি।
দেখুন আমাদের অনেকেরই ইলুমিনাতি ও ফ্রিম্যাসন সম্পর্কে ধারনা আছে। এরা সবাই শয়তান পূজারি। শয়তানকে তারা খোদা হিসেবে মানে। তারা শয়তানকে আল্লাহ থেকেও শক্তিধর মনে করে (নাউজুবিল্লা)। শয়তানের কাছে আত্না বিক্রি করে তারা শয়তানকে মোটামোটি একটা শক্ত পর্যায় নিয়ে গেছে। যার ফলে শয়তান তার কাজগুলো খুব দক্ষতার সাথে করতে পারছে। এই যে আমাদের হাতে যত প্রযুক্তি দেখছেন এগুলো বেশিরভাগই শয়তানের বুদ্ধিতেই হয়েছে। কাব্বালায় জাদু চর্চাকারী সংগঠনে সে মানুষকে এগুলো আইডিয়া দিয়েছে যার ফল সরুপ বহু ইসলামী সাম্রাজ্য আজ ধব্বংস হয়ে গেছে আর খ্রিষ্টান ইহুদিদের খেলাফত কায়েম হয়েছে। আর আমাদের মত সহজ সরল মুসলিমদের ঈমান ধব্বংস করে আমাদের জাহান্নামে ঠেলে দিচ্ছে।
দেখুন শয়তানের কাছে এখন এমন সব প্রযুক্তি আছে যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। শয়তান ঐ প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে আমাদের মধ্যে ধোকায় ফেলে দিতে পারে। আর সত্যি কথা হলো শয়তানের বর্তমানে ৪টা দিক দিয়ে বেশ শক্তিশালী।
১. জ্ঞান
২. ধৈর্য্য
৩. ক্ষমতা
৪. অভিজ্ঞতা
আপনি যদি চিন্তা করেন আপনি কোরঅান, হাদিস ও বাস্তবতা জ্ঞান ছাড়া তার সাথে পারবেন, তাহলে আপনি নিশ্চিত ধব্বংস হয়ে যাবেন।
শয়তানের কাছে Virtual Reality এবং Artificial Intelligence আছে যার সাহায্যে সে মানব শরীরে আস্তে আস্তে বাজে সপ্ন ও খারাপ অনুভুতি ঢুকিয়ে দেয়।
Virtual Reality হচ্ছে কম্পিউটার ব্যবস্থায় যদি কোন বাস্তব বা কাল্পনিক পরিবেশকে আংশিক বা সম্পুর্ণরুপে কৃত্রিমভাবে সিমুলেট করে দেখানো হয় যা ব্যবহারকারীর বাস্তবের মত অনুভুতি প্রদান করে, তাকেই Virtual Reality বলে।
আমি আগেই বলেছি দুনিয়ার সব আধুনিক প্রযুক্তি তার জ্ঞান থেকেই প্রাপ্ত সুতরাং সে এইটা ব্যবহার করেই রমজান মাসে শিকলে বন্ধী থেকেও কাজ করে যাচ্ছে যার ফলে আমরা বাজে বাজে সপ্ন দেখছি। শয়তান তাই আগের পরিকল্পিত সপ্নগুলো Save করে রাখতে পারে এই প্রযুক্তির সাহায্যে। যাই হোক তাকে আমি বিশ্বাস করি না।
ওহ আরেকটা হাদিসের কথা মনে পড়লো। আমাদের নবী বলেছেন, "শেষ যামানায় মুমিনদের সপ্ন সত্য হবে" (বুখারী ও মুসলিম)
এবার আপনারাই মিলান Virtual Reality দিয়ে সে এমনভাবে ধোকা দিচ্ছে যে কোনটা আল্লাহ দেখালেন আর কোনটা শয়তান দেখালো (যদি এই প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা না থাকে) জীবনেও বুঝবেন না। মনে মনে ভাববেন ধুর কি না কি দেখলাম। কিন্তু আপনি শয়তানের ধোকায় পড়ে গেলেন। তাই Virtual Reality নিয়ে গবেষণা করুন প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
.
Artificial Intelligence হচ্ছে মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, যেভাব অপরের সাথে কথোপকথন করে, যেভাবে শিখতে পারে, যেভাবে কথা শুনে বুঝতে পারে, যেভাবে অন্য কোন মানুষ বা বস্তুকে চিনতে পারে ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যসমুহকে আংশিক বা পুর্ণরুপ সিমলিট করাকে Artificial Intelligence বলে।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা শব্দের দিকে খেয়াল করুন। এই সবগুলো কাজ শয়তান এখন কত দক্ষতার সাথে পারে। আপনি আপনার জীবনের যেকোন কাজ করবেন শয়তান বাধা দিবে। আপনি তাওবা করবেন সে বলবে কোন মুখে আল্লাহ কাছে চাও? ইত্যাদি ইত্যাদি (নাউজুবিল্লা)।
তাই আমি বার বার বলি কোরঅান হাদিসের পাশাপাশি লেখাপড়া ও বাস্তব জ্ঞান লাগবেই। শয়তানকে পরাজিত করতে হলে নিজেকে আগে তার থেকে দূরে রাখতে হবে। বর্তমান যুগে আমরা ৫০০ বছর গবেষণা করেও আমেরিকা ইউরোপ অষ্ট্রেলিয়ার মত হতে পারবো না। এইটাই বাস্তবতা। তবে মুসলিম হিসেবে আমি বলবো দয়া করে লেখাপড়ার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জন করুন কোরঅান হাদিস হাতে নিয়ে। না হলে পাপে ডুবে থেকে শেষ পর্যন্ত জাহান্নামীদের কাতারে চলে যাবেন। তাই এখনও বলছি অবৈধ সম্পর্ক ও পাপ কাজ ছেড়ে দিন। আল্লাহ ছাড়া কাউকে গুরুত্ব দিবেন না। সবসময় আল্লাহ উপর ভরসা রাখুন। পাপ করে ফেলেছেন আল্লাহ কাছে তাওবা করুন। শয়তান বাধা দিতে আসলে বলবেন, "তুই আগে আমার আব্বা আদমকে সেজদা দে, তারপর আমার আছে মুখ দেখাতে আসিস, আমি আল্লাহ কাছে এই মুখ নিয়াই তাওবা করবো। তাই তুই যা আমার আব্বা আদাম কে সেজদা করে আয়" এই কথা বলবেন ইনশাল্লাহ সে আর আপনাকে কিছু বলতে সাহস পাবে না কারন মাঝে মাঝে কাটা দিয়েই কাটা তুলতে হয়। আর আরেকটা দোয়া তো সবসময় আছে, "আউযুবিল্লা হিমি নাশাইতানির রাজিম" বার বার পড়বেন।
যাই হোক এই দীর্ঘ আলোচনায় ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর নিজের পরিবারবর্গ, আত্নীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের সচেতন করবেন।
লেখক :- ইসমাইল মুহাম্মাদ কায়সার

Bssksjd
ReplyDelete